কথাবার্তায় বিব্রতকর সাতটি অভ্যাস ত্যাগ করে হয়ে উঠুন সবার প্রিয়

সব সময় ভালো আইডিয়া কিংবা সৃজনশীলতা আপনাকে সফল করে না, এ জন্য আরো কিছু দক্ষতার প্রয়োজন হয়। আর এসব দক্ষতার মধ্যে রয়েছে কথাবার্তার দক্ষতা। কথাবার্তায় কিছু বাজে অভ্যাস বাদ দিলে তা আপনার দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
১. পরচর্চা ও রটনা
কারো সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনে বাজেভাবে কথা বলা অত্যন্ত নিকৃষ্ট অভ্যাস। এ অভ্যাস আপনার থাকলে তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাদ দেওয়াই ভালো। পরচর্চা ও রটনার অভ্যাস থাকলে তা আপনার বাজে ইমেজ তৈরি করবে। এতে অন্যরাও আপনার সম্পর্কে অনুরূপ চর্চার সুযোগ পাবে।
২. বিচার করা
আপনি কারো সম্পর্কে পুরোপুরি না জেনে বিচারমূলক মন্তব্য কিংবা সিদ্ধান্ত প্রকাশ করলে তা নিঃসন্দেহে অন্যরা পছন্দ করবে না। আর এর মাধ্যমে আপনি নিজেরও ক্ষতি করবেন। কারণ এতে অন্যরা আপনাকে কোনো বিষয় জানাতে চাইবে না। আপনার মতামতও তারা গ্রহণ করবে না।
৩. নেতিবাচক মনোভাব
জীবনের সবকিছু নেতিবাচকভাবে দেখা অনেকের স্বভাব। এ স্বভাবের ফলে তারা অন্যের বিরাগভাজন হয়। অন্যদিকে সব বিষয়ে যারা ইতিবাচক ভাব প্রকাশ করে এবং ইতিবাচক মন্তব্য করে তারা অন্যের প্রিয়পাত্রে পরিণত হয়।
৪. অভিযোগ
কোনো বিষয়ে বা কারো সম্পর্কে অভিযোগ করা সহজ। আর যারা এ অভ্যাসটি আয়ত্ত করে, তারা সব সময় অভিযোগ করতে থাকে। ক্রমে এ বিষয়টি আবহাওয়া, কাজ, খবর ইত্যাদি সব বিষয়েই ছড়িয়ে পড়ে। আর কথায় কথায় অভিযোগকারীরা কারো প্রিয়পাত্র হয় না।
৫. অজুহাত তৈরি
কাজের বদলে কথাবার্তায় অনেকেরই বেশি আগ্রহ থাকে। সঠিকভাবে কাজ করার বদলে নানা অজুহাত দেখিয়ে তা অসম্পূর্ণ রাখা অনেকের স্বভাব। নিজের ভুলের জন্য নানা মানুষকে দায়ী করতে তারা পিছপা হয় না। কিন্তু সহজেই এসব বিষয় অন্যদের নজরে পড়ে যায় এবং তারা অন্যদের বিরাগভাজন হয়ে ওঠে।
৬. বড় ধারণা
নিজে যা তার চেয়ে বড় ধারণা অনেকেই পোষণ করে এবং অন্যের কাছে তা জাহির করে। এ ধরনের মানুষ কথাবার্তায় নিজের বিষয়ে একটি বড় ধারণা প্রকাশ করে। এটি এক ধরনের মিথ্যাচার এবং এর ফলে অন্যরা তাকে অপছন্দ করা শুরু করে। এ ধরনের মানুষ অন্যের কথা শোনার তুলনায় নিজের কথা বলতেই বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে।
৭. যুক্তিহীন গোঁড়া মতাদর্শ
কোনো বিষয়ে যারা যুক্তিহীন বা গোঁড়া মতবাদ বিশ্বাস করে এবং জোরের সঙ্গে প্রকাশ করে, তা অন্যদের কাছে সত্যিই বিভ্রান্তিকর হয়ে দাঁড়ায়। কারণ এ ধরনের মানুষ অন্যের যুক্তি কোনোমতেই বিশ্বাস করে না। এমনকি কোনো তর্কতেও তারা পুরো বিষয়টি ভণ্ডুল করে দেয়। এ কারণে যুক্তিহীন ও গোঁড়া মতাদর্শীরা অন্যের বিরক্তির কারণ হয়।

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s