আপনার প্রশ্ন পোস্ট করার পূর্বে অনুগ্রহ পূর্বক পড়ে নিন

শ্নঃ আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং কি ?
উত্তরঃ আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং শব্দ দুটি আমরা একই জিনিস বুঝলেও, অর্থ এবং কার্যগত পার্থক্য রয়েছে। আউটসোর্সিং (Outsourcing) মানে নিজের কাজ কোন একটা মাধ্যমে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেয়া। আর ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) বলতে, মুক্ত বা স্বাধীনভাবে কাজ করা বোঝায়। অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টি হচ্ছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি অন্যের কাজ করে দিবেন এবং কাজের বিনিময়ে নির্দিষ্ট অর্থ পাবেন। অনলাইনে কাজ করার জন্য অনেকগুলো মাধ্যম রয়েছে এবং ইল্যান্স , ওডেস্ক এর মধ্যে অন্যতম।

প্রশ্নঃ আমি প্রোফাইল ১০০% করতে পারতেছিনা হেল্প মেহ ?
উত্তরঃ যদি আপনি প্রোফাইল ১০০% পূর্ণ করার বিষয়টি সাহায্য ছাড়া করতে না পারেন, তাহলে বলা যায় আন্তর্জাতিক বাজারে বা মার্কেটপ্লেসে কাজ করার জন্য যোগ্যতা আপনি এখনো তৈরি করতে পারেননি। এবং আমরা আশা করি এই বিষয়ে কেউ কাউকে কখনও সহায়তা করবে না, কারন বিষয়টি তাহলে নকল করে পরীক্ষা পাশের মত হয়ে যাবে, যাতে দেশ ও দশ কারোরই উপকার হয় না। আমাদের উপদেশ থাকবে, আগে কোন কাজে দক্ষ হোন, অনলাইনে সাইট বা পোর্টাল কিভাবে কাজ করে সেগুলোতে অভ্যস্ত হোন, তার পরে আপনি আউটসোর্সিং বাজারে আসার কথা ভাবতে পারেন।

প্রশ্নঃ কি কাজ শিখব ?
উত্তরঃ যে কাজ আপনার করতে ভাল লাগে, সেটাই যদি ভালভাবে শিখেন, তাহলে যেকোনো মার্কেটপ্লেসেই ভাল করতে পারবেন। সব কাজেরই চাহিদা আছে, যদি উঁচু মানের কাজ জানেন। আর ইংরেজি মোটামুটি কাজ জানার মত ইংরেজি জানলেই হবে, যাতে ক্লায়েন্টের কাজ বোঝা এবং কাজ শেষে আপনার কাজ তাকে বোঝাতে কোন সমস্যা না হয়। আর যদি একেবারেই ইংরেজিতে দুর্বল তাহলে ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার করা আপনার জন্য না, কেননা ইংরেজি হল যোগাযোগের মাধ্যম মাত্র, যা দিয়ে অন্যান্য কাজ পাওয়ার জন্য আপনি যোগাযোগ করতে পারবেন। যদি আপনি আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করতে চান, ভাল ইংরেজি শেখা এবং চর্চা করার কোন বিকল্প নেই।

প্রশ্নঃ আমি নতুন আমার অভিজ্ঞতা কিভাবে বোঝাব ক্লাইন্ট কে ?
উত্তরঃ আপনি নিজের প্র্যাকটিসের জন্য যদি কোন কাজ করে থাকেন, তাহলে সেটার ফাইল বা স্ক্রিনশট পোর্টফলিওতে আপলোড করে দিতে পারেন। এটা হতে পারে আপনার বানানো কোন ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট, লোগো, ডিজাইন, ইউনিভার্সিটিতে করা প্রোজেক্ট রিপোর্ট, সার্টিফিকেটের স্ক্যান কপি, ইত্যাদি হতে পারে আপনার পোর্টফলিও। আর সেই কাজ বিষয়ক টেস্ট দিতে হবে (ভাল স্কোর সহ)। সেক্ষেত্রে যখন অ্যাপ্লাই করবেন, ক্লায়েন্ট বুঝতে পারবে যে ইল্যান্স-ওডেস্কে আপনি নতুন, তবে আপনার জ্ঞান এবং দক্ষতার কোন অভাব নেই। এভাবে নতুন হয়েও আপনি ভাল ক্লায়েন্ট পেতে পারেন।

প্রশ্নঃ কেন কাজ পাইনা ?
উত্তরঃ যে জব গুলোতে দেখবেন আপনার স্কিলের সাথে মিলে যাচ্ছে, সেগুলোতে সুন্দর করে, পেশাদারিত্ব বজায় রেখে অ্যাপ্লাই করতে পারেন। যদি আপনার প্রোফাইল, অ্যাপ্লিকেশান, লেখার ধরণ প্রফেশনাল হয় থাকে, তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজের অফার করতে পারে। তবে কাজ পাওয়া নির্ভর করবে আপনার অভিজ্ঞতার ওপর, আপনি যত দক্ষতা দেখাতে পারবেন কাজ পাওয়া তত সহজ হবে, ক্লাইন্ট একটা জব পোস্ট করলে সেই জব নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা চলে সারা বিশ্বে, আর বিশ্বের সাথে নিজেকে পাল্লা দিতে হলে একটু চিন্তা করুন আপনার কি পরিমান দক্ষতা থাকা উচিত, তাই প্রথমে নিজের দক্ষতা তৈরি করুন আর যখন দক্ষতার সাথে কোন কাজ করার ক্ষমতা তৈরি হয়ে যাবে, তারপর আপনি বিভিন্ন কাজে আবেদন করতে পারেন। মাত্র ১২-১৫ টি কাজে অ্যাপ্লাই করে কাজ না পেয়ে হতাশ হলে হবে না। অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যারা মাসের পর মাস ধৈর্য ধরে চেষ্টা করে সফলতা পেয়েছে। তাই লেগে থাকতে হবে। তবে কতদিনে কাজ পাবেন, কত পাবেন, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনি কতখানি দক্ষ এবং পেশাদার।

প্রশ্নঃ আমার অ্যাপ্লিকেশান হাইড ?
উত্তরঃ ওডেস্কে এ আপনার আগে যদি কোন বাজে ফিডব্যাক পেয়ে থাকেন, স্প্যাম কভার লেটার পাঠিয়ে থাকেন , যদি ক্লায়েন্ট রিপোর্ট করে থাকে, অথবা আপনি যদি নিজের স্কিলের বাইরে অন্য স্কিলে কাজের অ্যাপ্লাই করতে থাকেন, তাহলে একসময় তার অ্যাপ্লিকেশান হাইড করে দেয়া হতে থাকে। এটা ঠিক করার জন্য মূলত সমসময় ভাল, অরিজিনাল কভার লেটার দেয়া উচিৎ, এবং নিজের স্কিলেই কাজের জন্য অ্যাপ্লাই করা উচিৎ। তাই আগের থেকে আরো ভালমানের অ্যাপ্লিকেশান দেয়ার দিকে মনোযোগ দিন, এবং সাথে ভালরেট নেয়ার চেষ্টা করুন। নিজের স্কিলের বাইরের জবে অ্যাপ্লাই করা বন্ধ রাখুন, এবংতার সাথে প্রোফাইলটি যত দারুন ভাবে সম্ভব সাজানর চেস্টা করুন। আশাকরি ধীরে ধীরে সমস্যাটি চলে যাবে।

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং করতে দিনে কত ঘন্টা সময় দিতে হবে ?
উত্তরঃ সম্পূর্ণ আপনার কাজের স্পিড আর কাজের ধরনের উপর নির্ভর করে, আর ক্লাইন্ট এর সন্তুষ্টি এবং ক্লাইন্ট এর উপস্তিতি, ক্লাইন্ট সন্তষ্টি না হওয়া পর্যন্ত আপনার কাজ করতে হবে, আর ক্লায়েন্ট যদি সময় নির্ধারণ করে দেয় তাহলে সেই সময়ের মধ্যে কাজ কমপ্লিট করতে হবে. এর জন্য কোনো ধরা বাধা সময় নেই.

প্রশ্নঃ আমি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই তবে লোকজন বলা বলি করে কাজ পাওয়া যায়না তাই আমি হতাশ ?
উত্তরঃ কাজের দক্ষতা কিছুটা এই রকম :
১. আপনার সিলেট থেকে বাস এ ঢাকায় আসতে ৮-১০ ঘন্টা সময় (আনুমানিক) লাগবে (মানে আপনার দক্ষতার গতিবেগ বাস এর মত)
২. আপনার সিলেট থেকে বিমান এ ঢাকায় আসতে -১-২ ঘন্টা সময় (আনুমানিক) লাগবে (মানে আপনার দক্ষতার গতিবেগ বিমান এর মত)
৩. আপনার অভিজ্ঞতা যদি হয় ঠেলা গাড়ির মত তাহলে চাচা ঢাকা কত দূর শুনছি ঢাকায় টাকা উড়ে।
আমাদের দেশে হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সার আছে যাদের দক্ষতার গতি বিমান এর মত আর তারা কোনো মাইক দিয়ে রাস্তায় রাস্তায় বলে বেড়ায় না যে তারা ভালো কাজ পাচ্ছে আর ভালো ইনকাম করতেছেন, যাদের অভিজ্ঞতা ঠেলা গাড়ির কোনো রকমে ঠেইলা মেইলা চলে তারাই হতাশ কাজ না পেলে ঢোল পিটায়ে সবাইকে জানায়, আর ওই গুলোই আপনাদের নজরে পরে.

(কিছু মনে করবেননা সিনিয়র ভাইদের লিখা গুলো ব্লগ থেকে কপি করে সাথে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সংক্ষিপ্ত আকারে পোস্ট করা হয়েছে )অভিজ্ঞ ভাইয়ারা কিছু এড করতে চাইলে পারবেন।

ধন্যবাদওডেস্ক বাংলাদেশ

Swn Pawell এর লেখা।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s