খাতায় লিখে লিখে code/English tutorial প্র্যাকটিস করার উপকারীতা

১. প্রথমবারেই মাথায় ঢুকে যায় ।

 

২. বেশিদিন মনে থাকে ।

 

৩. একেবারে নতুনরা প্রথম দিকে কমপিউটারে করতে গেলে সময় বেশি লাগে । সে ক্ষেত্রে বেসিক কোড খাতায় করলে সময় অনেক কম লাগবে । এ সময় মূলত কোডগুলোকে বোঝার দিকে মনোযোগ দিতে হবে মুখস্ত করার দিকে নয় । বাস্তবে প্রজেক্ট প্র্যাকটিস করার সময় সেগুলো এমনিতেই মুখস্ত হয়ে যাবে ।

 

৪. বিদ্যুৎ চলে গেলেও প্র্যাকটিস চালিয়ে নেয়া যায় খাতা দেখে ।

 

৫. রাতে শোয়ার সময় শুয়ে শুয়ে খাতা দেখা যায় ।

 

৬. যেসব প্রবন্ধ বারবার পড়ার প্রয়োজন হয় সেগুলো খাতা থেকে পড়ার ফলে চোখ এবং স্বাস্থ্যের উপর চাপ অনেক কম পড়ে ।

 

৭. যেখানে সেখানে চাকুরিস্থলে, টিউশনিতে, নিজের বাড়িতে, শ্বশুর বাড়িতে ( এমনকি বাথরুমে ) সব সময় খাতা সাথে রাখা যায় । ফলে সব সময় প্র্যাকটিস চালু রাখা যায় ।

 

৮. বাথরুমের কমোডে বসে খাতার সাথে  পোজ দেয়া সেলফি তোলার মওকা পাবেন ।‍ আর কপালে থাকলে ফেইসবুকে আপলোড করে student of the century টাইপের খেতাব পেয়ে যেতে পারেন ।

 

৯. খাতাটাকে ল্যাপটপের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন । খাতার এক পার্ট টেবিলে রাখুন । আরেক পার্ট এর পিছনে মোটা বই দিয়ে ঠেক দিন । ব্যাস ল্যাপটপের সাধ খাতায় মেটালেন । মন্দ কি !?

 

 

এত সুবিধা পাওয়ার পরও খাতায় লিখে অনুশীলন করবেন না কেন ? হ্যাপী খাতা কোডিং !!!

 

বি:দ্র: আমার ওয়াইফের থুক্কু লাইফের প্রথম ডক । ভুল পেলে ফল্ট ধরবেন না ।

খবরদার !! নাস্তিক ছাড়া কেউ ডকে হাত দেবেন না !!!!!????

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s